News Flash

মে‌ মাসেই কি মাধ্যমিকের ফল? শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে পর্ষদে

শুভদীপ দাস
Elite Contributor
রাজ্য
Share Story:

মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— কবে বেরোবে রেজাল্ট? গত ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছিল এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা। নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষা শেষের ৯০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সামান্য দেরি হলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে।

ফল প্রকাশের দিনক্ষণ ও বর্তমান পরিস্থিতি

সাধারণত যে দিন ফলাফল ঘোষিত হয়, সেই দিনই স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে মার্কশিট তুলে দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে বহু স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকায় পর্ষদ কিছুটা সতর্ক। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে পরীক্ষা শেষের মাত্র ৬৯ দিনের মাথায় রেজাল্ট বের করা সম্ভব হয়েছিল। এবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ৬২ দিন অতিক্রান্ত।

প্রতিকূলতা সামলে খাতা দেখার কাজ শেষ

নির্বাচনী আবহে এবার পরীক্ষা এগিয়ে আনা হয়েছিল। খাতা দেখার কাজেও ছিল পাহাড়প্রমাণ চাপ। নারায়ণ দাস বাঙ্গুর মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাস স্কুলের ইংরেজি শিক্ষিকা অনন্যা ঘোষের কথায় ফুটে উঠেছে সেই লড়াইয়ের চিত্র। তিনি জানান:

“মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক মিলিয়ে প্রায় ১৫০টি খাতা দেখতে হয়েছে। নির্বাচনের কাজ ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার মাঝে হিমশিম খেতে হলেও, ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ আমাদের কাছে অগ্রাধিকার। তাই শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই খাতা জমা দিয়েছি।”

পর্ষদ সূত্রে খবর, খাতা দেখার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে এবং এখন চলছে শেষ মুহূর্তের স্ক্রুটিনি ও ডেটা এন্ট্রির কাজ। নির্বাচনের পরপরই ফলাফল ঘোষণা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এক নজরে এবারের মাধ্যমিকের পরিসংখ্যান

চলতি বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯,৭১,৩৪০ জন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা অনেক বেশি।

  • মোট পরীক্ষার্থী: ৯,৭১,৩৪০ জন
  • ছাত্র: ৪,২৬,৭৩৩ জন
  • ছাত্রী: ৫,৪৪,৬০৬ জন
  • তৃতীয় লিঙ্গ: ১

জনপর্ষদ সভাপতির আশ্বাস অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়সীমা অর্থাৎ মে মাসের মধ্যেই ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের প্রতীক্ষিত ফলাফল হাতে পেতে পারেন।

The Elite Weekly

Get curated premium content delivered straight to your inbox.

এই লেখাটি লিখেছেন…

শুভদীপ দাস

শুভদীপ দাস বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকতার জগতের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। বিজ্ঞান শাখায় স্নাতকের পর সাংবাদিকতার নেশাতেই এই পেশায় আসা। পেশাগত সাংবাদিকতার পাশাপাশি শুভদীপ দাস একজন সখের আলোকচিত্রী এবং চিত্রশিল্পী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজ থেকে অন্ধ কুসংস্কার ও কুপ্রথা নির্মূল করে একটি বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং সর্প সচেতনতা বিষয়ে তাঁর কাজ প্রশংসনীয়। সাপে কাটা রোগীদের সঠিক বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পেতে সহায়তা করা এবং সাপ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে তিনি মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।