আন্তর্জাতিক খেলাধুলা

শুরু কাউন্টডাউন, ফাইনালের মাহেন্দ্রক্ষণের প্রহর গুনছেন ফুটবল প্রেমীরা

প্রতীক্ষার অবসান। আজ, রবিবার আর কিছু সময় পর বিশ্বকাপ ফাইনালে দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে দিদিয়ের দেঁশর ফ্রান্সের মুখোমুখি স্কালোনির আর্জেন্টিনা। স্বভাবতই এই ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা।

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে একদিকে ইতিহাস গড়ার লক্ষে মাঠে নামবে দেঁশর ফ্রান্স। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে সেরা হওয়ার পর ফের একটা বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবেন তারা। এদিন জিতলে ব্রাজিলের পর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পরপর দুই বার বিশ্বকাপ জেতার অনন্য নজির গড়বে ফরাসি ব্রিগেড। ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে ফরাসিদের প্রধান বাজি দলের ২২ বছরের ফরওয়ার্ড কিলিয়ন এমবাপে। এই প্রজন্মের সেরা ফুটবলারদের অন্যতম। দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন প্যারিস সাঁ জার এই তরুণ ফুটবলার। চলতি বিশ্বকাপে ৫ গোল করে সোনার বুটের দাবিদার। এবার বিশ্বকাপ জিতলে এটি এমবাপেরও দ্বিতীয় বিশ্বকাপ হবে। জীবনের প্রথম দুটি বিশ্বকাপ জিতে নজির গড়ার সুযোগ এমবাপের সামনে। রাফায়েল ভারানে, ইব্রাহিম কোনাতে, চুয়াওমেনি – সহ একাধিক খেলোয়াড় কোনও না কোনও সমস্যায় জর্জরিত। ফাইনালের আগেই ফ্রান্স দল যেন মিনি হাসপাতাল। কিন্তু দলের শক্তিশালী রিজার্ভ বেঞ্চ ফ্রেঞ্চ কোচকে ফাইনালের আগে কিছুটা স্বস্তিতে রাখবে।

অপরদিকে আকাশি সাদা ব্রিগেডের নজর যার দিকে তিনি লিওনেল মেসি। প্রায় দেড় দশক বা পায়ের জাদুতে শাসন ফুটবল বিশ্বকে করেছেন যিনি। এর আগে চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও, এখনও বহু কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফি ছোঁয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছে মেসির কাছে। জীবনের শেষ বিশ্বকাপে ফুটবল দেবতা ফাইনাল খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন তার বর পুত্রকে। সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে প্রস্তুত মেসি। আর মেসিকে যোগ্য সঙ্গত দিতে প্রস্তুত গোটা আর্জেন্টিনা দল। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে দিদিয়ের দেঁশর ফ্রান্সের কাছে হেরেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেসিদের। এই ফাইনালে ফ্রান্সকে হারাতে পারলে ৩৬ বছরের খরা কাটবে আর্জেন্টিনার।