রবিবার নিগমবোধ ঘাটে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের হেভিওয়েট নেতা–মন্ত্রীরা। ভিভিআইপিদের ভিড়ের কারণে আঁটোসাঁটো ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সেখানেই ফোন খোয়ালেন ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ও। রবিবার নিগমবোধ ঘাটে জেটলির শেষকৃত্যের সময় ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ১১ জনের ফোন চুরি করা হয়।
এদিকে ফোন হারানো ব্যক্তিদের তালিকায় আছেন পতঞ্জলির মুখপাত্র তিজারাওয়ালা। টুইটারে ফোন চুরি যাওয়ার কথা জানিয়ে একটি পোস্ট করেন তিনি। দিল্লি পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ট্যাগ করে তিনি জানান, রবিবার নিগমবোধে ফোন চুরি গিয়েছে তাঁর। শুধু তাঁরই নয়। আরও ১০ জন ব্যক্তির ফোন চুরি গিয়েছে ওইদিন। ফোন চুরি যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন বাবুল সুপ্রিয়। ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে ম্যাপের একটি স্ক্রিনশটও পোস্ট করেন তিজারাওয়ালা।
টুইটে তিজারাওয়ালা লিখেছেন, ‘যখন আমরা অরুণ জেটলিজিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যে ফোন থেকে এই ছবিটি তুলেছি, সেটিও আমায় শেষ বিদায় জানায়। শ্মশান ঘাটকে লোকজন ছাড়ছে না। ভিড়ের সুযোগ নিয়ে চুরি করছে, এটা খুবই দুঃখের।’ দিল্লি পুলিশের এক কর্তা জানান, এই বিষয়ে পাঁচটি অভিযোগ জমা পড়েছে। বাবুল সুপ্রিয়–সহ পাঁচজন ফোন হারানোর অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে।
